অর্বাচীন
ঐ যে দূরে পাহাড়টা দাঁড়িয়ে আছে
সবুজ সবুজ শ্যাওলা জড়ানো এক্কেবারে সবুজাভ,
ও আসলে একটা ঘুমন্ত ভিসুভিয়াস,
অনেক দিন ঘুমিয়ে পড়েছে বলে ওর গায়ে দৈত্যের মত শ্যাওলা পড়েছে, ঠিক পোড়ো বনেদীর ভাঙ্গা কুয়োতলার মত।
অথচ এখনো ফুটন্ত লাভা পলাশের মত টগবগ করছে ভিতরে।
ও বর্ষা -
দোহাই তোমার এখন বৃষ্টি ঢেলো না,
ঝরনের শুচিতায় ফুটন্ত কনা ছিটকে পড়লে সমস্ত অভিসার পন্ড হবে ।
সবুজ পাতায় ছাওয়া বলেই জঙ্গল হবে, ছায়া দেবে এমন তো না হতেই পারে,
হয়তো ও তোমার শেষ রাতের বকুল ফুল।
দেয়া নেয়ায় রং পাল্টেছে।
ঐ যে দূরে ঝকঝকে নদী দেখছো,
ও তো কাকচক্ষূ নাও হতেই পারে,
ও হয়তো তোমার ফেলে যাওয়া হৃদয় ,যে বহুকাল নিরুদ্দেশ
ঝর্নার মত ঝরতে ঝরতে আজ তন্বী হয়েছে।
একদিন সকালে ঘুম ভেঙ্গে দেখলে , হালকা হয়ে উড়াল দিয়ে গেছে তোমার সবচেয়ে প্রিয় হৃৎপিণ্ডটা ।
তাকে কি কুয়াশাচোখে অর্বাচিন বলে গাল পাড়বে?
নাকি একগাল হেসে নিখুঁত ভুলের পর থেকে , একদম নিখুঁত ঠিক শুরু করবে?
তারপর-
নিজেকেই অর্বাচিন বলে গাল পাড়বে মনে মনে।
দোহাই বর্ষা শুধু বৃষ্টি ঢেলো না,
আবেগ পেলে কুয়াশারাও গড়িয়ে যেতে পারে।
দুদ্ধর্ষ!...অমিত বর্ধিষ্ণু শক্তিশালী কলমের দৃপ্ত পদচারণা!
ReplyDelete