Thursday, December 31, 2020

অবান্তর ২৫

 


              প্রত্যুত্তর



যদি বলো ভালোবাসি কেন?

তাহলে বলবো ভালোবাসার জন্যই ভালোবাসি।

যদি বলো সরে থাকো কেন?

তাহলেও বলবো কাছে থাকার জন্যই দুরে থাকি।


যদি বলো তাহলে কষ্ট পাও কেন ?

তখনও বলবো, ভালোবাসার জন্যই কষ্ট পাই।

যদি শুধোও তবে এত ঢং কেন ?

উত্তরে বলবো, ঢঙে যে রঙ লাগে , ফাগ রং।



যদি রেগে বল, এত জিদ কেন?

এর একটাই উত্তর, তোমাকে ভালোবাসি বলে।

যদি মুখ ফিরিয়ে বল , অহংকার ভালো নয়,

আমি সহাস্যে বলবো, ও যে তোমার উপহার।



বিস্ময়ে যদি বল, কি করি বলতো  তোমাকে নিয়ে?

আহ্লাদী হয়ে বুকে মুখ লুকিয়ে বলবো,

ভালোবাসো - ভালোবাসো - ভালোবাসো।


অবান্তর ২৪

 

এক জীবন এক ঈশ্বর


ভালোবাসা পেতে পেতে নদীও তখন  নারী  ,
গলতে গলতে হৃদয়ে দাঁড়ের শব্দেরা তখন শব্দহীন,
অথচ মাঝি বিহীন নৌকা তখন মাঝদরিয়ায় ভাসছে, পুবালী নিয়ম মেনে।

ভালোবাসতে বাসতে কখন যে চন্দ্রাবতী কাল ভুলেছে,
ছপাৎ জলে ঢেউ খেলে যায়,
পশ্চিমঘাটের সূর্য তখন রোদ পোহানো বিছানা কাঁথা তুলছে।
অথচ চন্দ্রাবতী তখনও সাঁঝ ঘন্টা সাজাচ্ছে ভাসানবেলার।
হলুদ, সাদা, লাল, সবুজে ভরে যাচ্ছে ডালি,
হৃদঅর্ঘ্য পুষ্পশোভিত।
ভালোবাসতে বাসতে মানুষটাকেই ভুলেছে সে,
আছে শুধু  ঈশ্বরী জীবন।

Monday, December 28, 2020

অবান্তর ২৩

 

আমি তোমার শত্রু নই, মিত্রও নই
তবু  যখন ক্রসেডে বিদ্ধ হও,
অন্তিমেও  হাত পেতে থাকি
আলো খেকো মানুষের মত।


গান্ধারী জীবন ছেড়ে বেরিয়ে আসি,
চক্রবূহ্যের তরে,
ছারখার করে দিতে অক্ষৌহিনী সেনা
তবু ,
ক্রসেডের ভালোবাসা তুমি বুঝিলে না।

Friday, December 25, 2020

অবান্তর ২২

 


                        প্রেমপত্র


আজ আবার নতুন করে একটা প্রেমপত্র লিখতে চাই, একদম নতুন করে  সেই প্রথম দিনের মত।
কমলা রোদে পিঠ বাঁকিয়ে একটা একটা করে সেঁকে নিই অভিমান গুলো,
তারপর ঠোঁট ফুলিয়ে উটের গ্ৰীবার মত ঠোঁটে ঠোঁট রাখতে রাখতে বলি ভালোবাসি, ভালোবাসি, ভালোবাসি।


মাঝে মাঝে ভাবি সমস্ত দুঃখ  গুলো ঐতোমার ক্লান্ত শার্টের বোতামের মতো যদি একটা একটা করে খুলে দেখাতে পারতাম ,
কিংবা ধরো আদুল গায়ের বুকের কোনে খুনসুটি খেলতে খেলতে সমস্ত অভিমান মেলে ধরতাম।


অথচ ,গান্ধারী জীবন,
অক্ষম ধৃতরাষ্ট্র শুন্যে বিফল পাশা ছোঁড়ে বারংবার,
সঙ্গে অক্ষৌহিনি সেনা
তবু আজ পারিবে না ।


শীতার্ত দিন, চাদরমুড়ির মিথ্যা সংবাদ
দিকে দিকে রটে ,
কুরুক্ষেত্র ছারখার,
তবু সমস্ত মুছে ফেলে একটা একটা করে শিশিরের ঘ্রান চোখ মেলে অন্দরে কন্দরে।


গান্ধারী জীবন ছুঁড়ে ফেলি খোলসের মত,
তারপর পূর্ন রূপে পূর্ণ করে চলি নতুন প্রেমপত্র,
শুরু,নতুন অধ্যায় ।


এ জীবন ভালোবাসি, বাসি কি তা ?
নয়তো বা ,দুঃখ গুলো টেনে টেনে সুখ কেন খুঁজি?
পুরোনো পুঁজির মত ওল্টায় পাল্টায় ধুলো ঝেড়ে সুখ পাই।


তারপর ,
মুখ লুকিয়ে বলি -
তুমি আমার ঈশ্বর হবে, আমি ঈশ্বরী।

Friday, December 18, 2020

অবান্তর ২১

 


        বাজে কথা রাখো এবার


রাখোতো তোমার বাজে কথা,
এবার মেটাও সব রাগ বেরাগ,
অনেক হয়েছে মূর্খতা,
এবার একটা অলৌকিক গল্প শোনাও,
ঠিক যেমন করে কোলে মাথা রেখে আদরেরা উষ্ণতা খোঁজে,
ঠিক তেমন করে চুলে বিলি কেটে কেটে সেই রূপকথার গল্প শোনাও সারারাত।


একটা অলৌকিক ভোর দেখাও,
যাতে সারাদিন রোদ আলো পায়,
সমস্ত দূরত্ব গুলো ঝরে পড়ুক কুয়াশার মত,
ছেলেমানুষী ইচ্ছেগুলো শোনাও।


তারপর অবসর মত একটা একটা করে রং লাগাও তোমার মনের মত,
সব রঙ একসাথে গুলে গেলে দেখো ঠিক আবীর হবে,
লাল আবীর, নীল আবীর, হলুদ আবীর,
মুঠো ভরে কাঁপতে কাঁপতে রাঙিয়ে দেবে এখান ওখান,
তারপর ,ধুয়ে গেলেও  একবিন্দু রয়ে যাবে  ঘন চুলের ভাঁজে প্রেমপত্রের মত।


ছাড়ো তো এসব গল্প,
এসো আবার ঝগড়া শুরু করি আগের মত,
তারপর আবার একসাথে শালপাতা থেকে সেঁয়াকুল  তুলে খাই।
আবার নদীর উপর
এসো, ছলাৎ ছলাৎ খেলি।

Thursday, December 17, 2020

অবান্তর ২০

 

           মস্তিষ্কে পেরেক মারো

প্রশ্রয় দিলেই সন্ত্রস্ত করে ছারখার করবো,
জল, মাটি, আকাশ, বাতাস কাঁপিয়ে তুলে,
বেপরোয়া ইচ্ছেগুলো লাগামছাড়া হবে আবার।
তখন, তখন আবারো দমবন্ধ হয়ে ছটফটাবে, আর কোন খুঁজবে এদিক ওদিক।


তার চেয়ে জোরে, আরো জোরে ,
পেরেক মারো, কফিনে পেরেক মারো,
প্রেতাত্মারা যেন ছিটকে বেরোতে না পারে ।

অবান্তর ১৯

 


                 পৃথিবী রমনী হও

ঋতুবতী হলে পৃথিবী আজও  শীতঘুম ছেড়ে জেগে ওঠে , হলকর্ষনের তরে,
অন্তিম পাটে পড়ন্ত যৌবন রোদ,শুয়ে আছে কাঁথায়-কম্বলে, খাটিয়াতে।
এখনই কুয়াশা চাদর মৃত অস্থি ঢেকে দেবে,
বেলা বয়ে আসে ঘনিষ্ট সন্ধাকালের।


দুচারটে টিপটিপে তারা উঁকিঝুঁকি মারে  পৃথিবী পানে,
নগ্ন বুকে চেয়ে থাকে হাঘরের মত।


অথচ,
ঋতুবতী হলে পৃথিবী রমনী হয় নরমের মত,
আঁজলা করে নিতে হয় কোলে তুলে,
অবোধ জ্যোতিষ্ক আজো তা জানে না।
তাই তারা দূরে রয়, দূর থেকে চেয়ে আজীবন ।


ভালোবাসার অন্তিম মুহূর্তেও তোমার সমস্ত শরীর রমনীকোন ঢেকে থাকে
গোপন অঙ্গের সমস্ত আদর ঢেকে রাখে পুরুষালী রোম।
সংজ্ঞা লুপ্ত পুরুষালী ঘ্রান জেগে থাকে গ্ৰীষ্মের দুপুরের মত,
শুষ্ক, ঘন,তিক্ত,কটু তার স্বাদ।


তবু -
তখনো জেগে থাকে সমস্ত ভালোবাসা আমার দেহের উপরে।

অবান্তর ১৮

 

              ।। পিছুটান রেখো না ।।

আমার রিক্ততার কথা শুনে যদি রিক্ত হতে ইচ্ছে করে,
তাহলে কাছে এসো না।

আমার নির্জনতার কান্না শুনে যদি গলে যেতে ইচ্ছে করে,
তাহলে কঠিন থেকো।

আমার প্রতীক্ষা যদি তোমায় অপেক্ষা করায় ,
তাহলে গন্তব্যে যাও।

যদি শুধুই  ভালোবাসতে ইচ্ছে করে, দিনভর, রাতভর,
চলে এসো, একবারও পিছু না ভেবে ।

Tuesday, December 15, 2020

অবান্তর -১৭

     শহরে আজ রোদ নেমেছে



কুয়াশার শহরে  আজ রোদ  নেমেছে,

সেই সেদিনের মত,

আজ আমায় একটা অলৌকিক শব্দ  শোনাও না,

যাতে  সব কুয়াশারা ঝরঝরিয়ে  গলে যায়।


এসো  আজ সমস্ত রঙ গুলে আবার তোমায়   লাগিয়ে দিই,

সমস্ত কুয়াশা গলে গিয়ে কিছু তো থেকেই যাবে।


এসো আজ শীত কে  আলিঙ্গন করি,

শীত চলে গেলে বসন্ত তো পড়ে  রইবে।


এসো আজ অলৌকিক শব্দ দের জব্দ করি,

তারপর গড়িয়ে পড়ি  পাহাড় ঢালে  ঘাস বিছানায়।


 আজ শীৎকার করে বলি সেই অলৌকিক উচ্চারণ- 

ভালবাসা আজ বিবাগী হও   ,

তারপর রমন খেলায় মেতে উঠি যাযাবরের মত।

Sunday, December 13, 2020

অবান্তর-১৬

 

         কুয়াশারা দাঁড়িয়ে আছে


কি করি বলো,
এরকম আদুরে বৃষ্টি কুয়াশায় আমার বেড়াল কুকুর হতে ইচ্ছে করে,
ইচ্ছে করে বুকের ওমে পা ডুবোতে, ঠোঁট লুকোতে।
ইচ্ছে করে, শূন্য হয়ে লেপের তলায় লুকিয়ে থাকি, রইবে না আর টানাটানি,
এক দেহেতে বিলীন থাকি।


বুকের ওমে জড়িয়ে রইবো,
নাকের কাছে শ্বাস,
আধেক ঘুমে আধেক লীনে রইবে রাত্রিবাস।


হব তখন খুব আদুরে, ছেলেবেলার মত
গল্প শোনাও, গল্প শোনাও
ঠোঁট ফোলাবো কত, তারপরেতে ঘুমিয়ে থাকবোঔ আদর মাখা সুরে, মুখের মধ্যে করবে খেলা রুপকথারা যত।
সারারাত্রি জড়িয়ে থাকবে কইবে কথা কানে,
ঘুমের মধ্যে শুনতে পাবো ফিসফিসানি গানে।


কুয়াশা ভরা এক পৃথিবী আদর মাখা গা,
কোলের কাছে একটা মাথা , বুকের কাছে পা।
গুটিসুটি গুড়িসুড়ি কুয়াশা মেঘ চরে।
কাঁচের বাইরে রূপকথারা স্বপ্ন লিখে চলে।

অবান্তর -১৫

 


      জলের তলার রূপকথারা



চল -

পা ডুবিয়ে বসি কংসাবতীর বাঁকে,

যেখান বিহান বেলায় টুসু ভাসান, তুষাল সুরে ডাকে।

স্তব্ধ জলে পা ডুবিয়ে ছলাৎ ছলাৎ খেলা,

গাছ কুয়াশা জমবে সেথা বসবে তখন মেলা।

দুটো হাতে একটা পাঁপড় এধার ওধারকামড়,

জলের তলায় কথা হবে পায়ে পায়ে খেলা।

হঠাৎ যখন ডুবসাঁতারে পানকৌড়ি হয়ে ,গুগলি তুলে ঝিনুক  গেঁথে মুক্তামালা লয়ে,

হাত দুখানি বাড়িয়ে দেবে অধর খানির মতন,

তুলে নেবো চুপিচুপি আদরচুমি যত। 



মাথায় গাঁথবো, চুলে পরবো ময়ূর পেখম খানি,

হাত বাঁশিটা কথা কইবে ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমী।

ধুলো মাখবো, মাতাল হবো , মাতাল বাঁশীর সনে,

চোখে চোখে কথা হবে নিশ্চুপ দুইজনে।



সঙ্গী যত সঙ্গীছাড়া , চাঁদ জ্যোৎস্নায় ভাসে,

গন্ধ বাতাস মাতাল করে মহুয়া উল্লাসে।

সেথায় তখন ঝরনা তলা, সেথায় সমুদ্দুর, নিদেন পক্ষে পঞ্চবটি,সপ্ত সমুদ্দুর।


তোমার আমার দেখা হবে সাঁঝ বিয়ানোর কালে,

ভালো থেকো ,দেখা হবে ,কংসাবতী জলে।


Friday, December 11, 2020

অবান্তর -১৪

 

     ঠিক কতটা জানলে জানা যায়


কুয়াশার পর কুয়াশা পড়ছে ,
ঠিক যেমন করে পরতের পর পরত আদর জমে, জমেই থাকে,
ঠিক যদি এরকম জমিয়ে জমতে পারতাম কুয়াশার মত।

অসময়ে ঘুম ভাঙ্গলে আজও বিরক্ত হই,
অথচ তুমি ছুঁয়ে থাকলে ঐ যে গন্ধ ঘুরপাক খায় মাথার ভিতরে, শব্দ হাতড়াই,
তখন না সুখ, না দুঃখ, শুধুই  আসুখ।

সবই ছেলেমানুষী বললে শুনবো কেন?
এই আসবে তারপর বলবে -তার আর পর নেই,
সবই তোমার।
তা বললেই বা শুনবো কেন?

উপহার দিও না-
তারপর যদি অনেক বরফ একসঙ্গে গলে যায়,
তখন সে বাঁধ পাবে কোথায় ?
তারও পর যদি অনেক 'কেন'  ঘিরে ধরে
তখন, তখন কি করবে বলো ?

ধরে নাও ,তার তখন ভীষণ একটা রুমাল দরকার,
ঝরনা তখন দুয়ার ভাঙ্গতে চাইছে, অথচ -
কি করবে বলো ?

তার চেয়ে উপহার থাক,
এক নৌকো আকাশ দিও,পৃথিবী ঘুরতে।

Wednesday, December 9, 2020

অবান্তর- ১৩

 

                              গিঁট

প্রতি মানবীই চায় সঠিক সময়ে সমস্ত কিছু শিখিয়ে দিতে,
অথচ পুরুষটির পাশবালিশে বড় আসক্তি,
সবজান্তা উল্টো পিঠে হাই তুলে আবার দেদার ঘুমোয়।

  তারপর,

চূড়ান্ত সময়ে,হাত থেকে পিছলে যায় সাঁড়াশি, অথবা হলুদ,নুন, ধনে ,জিরে মাখামাখি।
পুরুষটি ভালোবাসার রুপকথাটাও শিখতে পারেনি তখনও,
তাই খোলা পিঠের চুম্বন কোনো শিহরন জাগায় না রমনী কোনে ।
ঠোঁট এগিয়ে এলে ঠোঁটের ভাষা হাতড়াতে হয় অন্ধকারে গিঁট খোলার মত।
ব্লাউজের হুকে, অথবা রাতপোশাকের গিঁটে গিঁট লাগে অনবরত,
আর বাইরে থেকে অনর্গল আরো গিঁট লাগায় ক্লান্ত পুরুষ।
জানেনা সে ,প্রেম কখনো অপেক্ষা করেনা।


তারপর আরো অনেক বারের মত এবারো উদ্ধারে এগিয়ে আসে সেই রমনী হাত রমন সাহায্যে।
একে একে গিঁট খোলে আরো অনেক বারের উদ্ধারের মত ।

Tuesday, December 8, 2020

অবান্তর - ১২

 


            অর্বাচীন

ঐ যে দূরে পাহাড়টা দাঁড়িয়ে আছে
সবুজ সবুজ শ্যাওলা জড়ানো এক্কেবারে সবুজাভ,
ও আসলে একটা ঘুমন্ত  ভিসুভিয়াস,
অনেক দিন ঘুমিয়ে পড়েছে বলে ওর গায়ে দৈত্যের মত শ্যাওলা পড়েছে, ঠিক পোড়ো বনেদীর ভাঙ্গা কুয়োতলার মত।
অথচ এখনো  ফুটন্ত লাভা পলাশের মত টগবগ করছে  ভিতরে।

ও বর্ষা -
দোহাই তোমার এখন বৃষ্টি ঢেলো না,
ঝরনের শুচিতায় ফুটন্ত কনা ছিটকে পড়লে সমস্ত অভিসার পন্ড হবে ।

সবুজ পাতায় ছাওয়া বলেই জঙ্গল হবে, ছায়া দেবে এমন তো না হতেই পারে,
হয়তো ও তোমার শেষ রাতের বকুল ফুল।
দেয়া নেয়ায় রং পাল্টেছে।

ঐ যে দূরে ঝকঝকে নদী দেখছো,
ও তো কাকচক্ষূ নাও হতেই পারে,
ও হয়তো তোমার ফেলে যাওয়া হৃদয় ,যে বহুকাল নিরুদ্দেশ
ঝর্নার মত ঝরতে ঝরতে আজ তন্বী হয়েছে।

একদিন সকালে ঘুম ভেঙ্গে দেখলে , হালকা হয়ে উড়াল দিয়ে  গেছে তোমার সবচেয়ে প্রিয় হৃৎপিণ্ডটা ।
তাকে কি কুয়াশাচোখে অর্বাচিন বলে গাল পাড়বে?
নাকি একগাল হেসে নিখুঁত ভুলের পর থেকে , একদম নিখুঁত ঠিক শুরু করবে?
তারপর-
নিজেকেই অর্বাচিন বলে গাল পাড়বে মনে মনে।

দোহাই বর্ষা শুধু বৃষ্টি ঢেলো না,
আবেগ পেলে কুয়াশারাও গড়িয়ে যেতে পারে।