অনুগত শব্দেরা
উড়ে যাও
মুক্তির সময় এসেছে।
ডানা ঝাপটানো পাখির মত ঝাপটাতে ঝাপটাতে
ডানা খোলো।
বোঝো এবং বোঝাও নিজেকে
আবেগের পরিপাটি ভালো,
শৃঙ্খলতা আনো।
ছেলেমানুষী ছাড়ো,
আবেগীয় তত্বে সমঝোতা না করে
মার্কস, লেনিন নেহাতই হিটলার হয়ে যাও।
নাৎসী আন্দোলনের বীজ বপন করো জঠরে
হৃদয়ে।
যা আর নেই,
আবেগীয় তত্ত্বের মগডালে তাকে বিরক্ত প্রশ্নচিহ্নের মত ঝুলিয়ে রেখো না।
পেড়ে ফেল একেবারে ধরাশায়ী করে,
ছেৎরে ছিন্নভিন্ন হয়ে ছড়িয়ে পড়ুক প্রেমজ আবেগরা।
লৌকিকতা বড় বালাই
যা নেই তাই নিয়ে শুধু টানাটানি , দর কষা
তারপর তিতকুটে জিভে শুধু গালাগালি,
সমস্ত অনুগত শব্দদের জব্দ করে মুছে ফেল এক নিমেষে,
আসলেই তারা অনুগত নয়,
উপসংহার মাত্র।
এরপর আর কিছু নেই, স্বস্তি বা স্বস্ত্যয়ন ছাড়া।
দাঁড়ি, কমা, কোলনের মাঝে পড়ে
অনুগত প্রশ্নেরা বিস্ময় চিহ্ন হয়ে যায়।
আবার হেমন্তে হলুদ পাতারা খসে খসে যায়,
সমস্ত প্রশ্নচিহ্ন তুলে রেখে।
শুধু অনুগত শব্দেরা
ছড়িয়ে ছিটিয়ে নিরবিচ্ছিন্ন শান্তি খোঁজে
শীত ঘুমে শুয়ে রয় বুদ্ধ ও লেনিন ।