Friday, January 24, 2020


        ছাড়িয়ে থাকো জড়িয়ে রাখো

তোকে ভালবাসি বলেই অলিন্দের ছায়া গুলো এত দীর্ঘায়িত হতে দিই, সূর্য ধরতে যাই না।

তোকে জড়িয়ে থাকি বলেই আর খিড়কি পথে পালানো হল না, জানালা গরাদ আমার বড় প্রিয়।

শীতের রাতের ওম চাই বলেই পৌঁছে গেছি জঙ্গলে ডালপালা দের কাছে, সেঁকে নিচ্ছি গা,
একটু উষ্ণতার জন্য।

তোকে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধতে চাই বলেই, পাঠিয়ে দিই শিকড়ের কাছে, যেন শিকড়ে লাগে টান কোলবালিশের মত।


মৃদুমন্দ পড়ন্ত বেলায় বাঁকের সিঁথির পরেও যে বাঁক থাকে, হাত ছেড়ে দিই তোর নরম ওষ্ঠাধরের মত, শুধু ভালোবাসি বলে ।


তোমার হিমেল রাতের উষ্ণতা, তোমার নরম ওষ্ঠাধর, তোমার নীরব শীতঘুম আর আদরের ওমে জড়িয়ে থাকা রাতকলিরা ঘুমিয়ে থাকুক পরম প্রাপ্যতায়, জড়িয়ে থাকো , জড়িয়ে থাকো।

রাধা ভাব দ্যুদ্য             অর্পিতা চৌধুরী

Saturday, January 4, 2020

মুহূর্তে বাঁচো

              মুহূর্তে বাঁচো

অনেকদিন আলো পড়েনি, হৃদয়ে সোঁদাগন্ধ, কেমন যেন চিমসে, মিসকে মত,
অজান্তেই নাক কুঁচকায় ঘন কুয়াশায়।

যে পথ বেঁকে গেছে সেখানেই একটা টিলা,
খুব ছোট তবু অনতিক্রম্য।

দেখতে পাচ্ছো আগুন জ্বলছে-
দেখতে পাচ্ছোওও
শুনতে পাচ্ছো কি ওদের হাড়কাঁপানো ঠকঠকানির গান।
তিনটে বুড়ো, তিন ভাই ওরা,আপাদমস্তক চাদরমুড়িতে  ওম নিচ্ছে, মুখ তাদের আবৃত।
আমি ওদের নাম দিয়েছি অতীত- বর্তমান- ভবিষ্যত।

পাশাপাশি এত কাছাকাছি তবু টিলাটা অনতিক্রম্য।
ভাবছি, একটা বুলডোজার অথবা ডিনামাইট দিয়ে টিলাটাকে গুঁড়িয়ে একেবারে মিশিয়ে দেব, তারপর ওদের তিনজনকে একটাই নামে ডাকবো- মুহূর্ত ।


      লেখনীতে - অর্পিতা চৌধুরী