গিঁট
প্রতি মানবীই চায় সঠিক সময়ে সমস্ত কিছু শিখিয়ে দিতে,
অথচ পুরুষটির পাশবালিশে বড় আসক্তি,
সবজান্তা উল্টো পিঠে হাই তুলে আবার দেদার ঘুমোয়।
তারপর,
চূড়ান্ত সময়ে,হাত থেকে পিছলে যায় সাঁড়াশি, অথবা হলুদ,নুন, ধনে ,জিরে মাখামাখি।
পুরুষটি ভালোবাসার রুপকথাটাও শিখতে পারেনি তখনও,
তাই খোলা পিঠের চুম্বন কোনো শিহরন জাগায় না রমনী কোনে ।
ঠোঁট এগিয়ে এলে ঠোঁটের ভাষা হাতড়াতে হয় অন্ধকারে গিঁট খোলার মত।
ব্লাউজের হুকে, অথবা রাতপোশাকের গিঁটে গিঁট লাগে অনবরত,
আর বাইরে থেকে অনর্গল আরো গিঁট লাগায় ক্লান্ত পুরুষ।
জানেনা সে ,প্রেম কখনো অপেক্ষা করেনা।
তারপর আরো অনেক বারের মত এবারো উদ্ধারে এগিয়ে আসে সেই রমনী হাত রমন সাহায্যে।
একে একে গিঁট খোলে আরো অনেক বারের উদ্ধারের মত ।
No comments:
Post a Comment