একটা কান্নার এখন বছর তিনেক বয়স ,
অথচ এখনো সে ঝরতে থাকে, ঝরতেই থাকে ,
প্রথম দিনের মত।
তাহলে একি কান্নাপাখি , রাতচরাদের মত কেঁদে কেঁদে বেড়ায় , তারপর ভোর হলে বিলীন হয় ।
নাকি সুখ অ -সুখের দ্বন্দ্বে এও এক অলীকপাখি ,
অন্তিম প্রেম অনন্তে মিশে যায় ।
তাই ,
আভোর ফটিকজলেরা ঘুরে ঘুরে মরে অনন্ত পিপাসায় ।
ঝর্নার ঝরনগীতি, নতুন ফল্গু ধারার জন্ম দেয় ,
সে শুধু উষ্ণ প্রস্রবন, শুষে নিতে হয় আলতো করে ,আদরে সঙ্গীতে।
তারপর মাঠে মাঠে যুবতী ধানেদের বুক ভরে এলে কপোত কপোতী মত খুঁটে খেতে হয় খুদ , বারেবারে সারাদিন,
সূর্যও ক্লান্ত তখন, মেলা হাটে বাটে , বাড়ি ফেরার দিন ।
অথচ ক্লান্ত ধূলিকারা পদচিহ্ন চায় কার ,
ধূলিসিক্ত পাঁপড়, পড়ে থাকা খেলনা , বেলুনেরা উড়ে উড়ে যায়।
ভাঙ্গছে মিলন মেলা,
পুরাতন প্রস্তরেরা শূন্যগর্ভ নিয়ে আবার বচ্ছরকার প্রতীক্ষায় প্রস্তুত,
পিতৃস্কন্ধে চেপে আছে শিশু নিখাদ ভরসায়,
জানেনা সে এ ঋণ শুধবে কিসে।
শুন্যগর্ভ নদীতীরে সরষেরা আঁচল এলিয়েছে রূপবতী মত,
তারাও জানেনা কত কথা তোমার আমার মত ।
তাই মধ্যরাতে ঝরে পড়ে যায় পূর্ণতার তরে অনন্তের পথে।
আরো একটি বছর পার ক্রন্দন পূর্ণতার,
রাতচরা হেঁকে যায় ,
ঝর আরো ঝর,
নচেৎ - - - - -
একটা সংকলন-গ্রন্থীবদ্ধ করা প্রচন্ড জরুরী।
ReplyDelete