কি জানি কি লিখি
শরীর থেকে হয়েছে বিচ্ছিন্ন মন
এখন শুধুই ঘুরে বেড়ানো উমনো ঝুমনো,
ইরানী বেদের যাযাবর বৃত্তি শরীরকানাচে
ভিক্ষার থালা নিয়ে দুয়ারে চিৎকার,
আমরা তিন লোক মা,
উত্তরে পেটের টাকে দেখিয়ে, বাড়িয়ে দিই থালা,
একমুঠো বেশীর আশে।
তারপর সদগুরু নিদ্রাগত হলে
খুঁটে খাই ধান, জাবর কাটি, চর্বিত চর্বন।
ডিম পাড়ি ,তা দিই
আরো দু মুঠো অন্নের তরে,
ইটের বালিশ শয্যা, চোখে ঢুল স্বপ্ন,
ছেঁড়া পুটুলিতে আগলায় কোলের নেড়িকে,
তারপর আবার রো -মন্থনের স্বপ্ন দেখি, অথবা গো- মন্থনের।
পৃথিবী তখনো মন্থন করছে দুগ্ধভান্ড,
ঘোল মুয়াবার তরে।
গহন ও গূঢ় দর্শন। দুর্দান্ত এ দেখন-শৈলী।
ReplyDelete