পোয়াতি হও পৃথিবী
আমরা আমাদের নিদ্রা নয় , জাগরন হয়ে গেছি
বুড়ো পংক্তি গুলো যতই টান মারুক,
মনবিলাসের প্রশ্নের থেকেও
কুচোকাঁচাদের গান বড় স্বপ্নিল আজ ।
বুড়ো পংক্তি গুলো যতই টান মারুক,
মনবিলাসের প্রশ্নের থেকেও
কুচোকাঁচাদের গান বড় স্বপ্নিল আজ ।
এ বড় সংসারী সময় , তাই রেঁধে বেড়ে , ঝুল ঝেড়েও পোয়াতি সময় ঘরময় ঘোরে ,
জঠরের দামাল শিশুর মত ।
প্রতীক্ষায় থাকে মিটিমিটি , রাত্রির ।
জঠরের দামাল শিশুর মত ।
প্রতীক্ষায় থাকে মিটিমিটি , রাত্রির ।
রাতের কাঁধে হাত রেখে দূরত্ব বজায় রাখি ।
মুখের কাপড় এঁটে প্রেম করি আভরনহীন ।
আজ আর ওষ্ঠরঞ্জনীর প্রয়োজন নেই,
জায়গা আজ দখল হয়েছে ,না তোমার নয় -
এক অভেদ্য পাহাড়ী কুয়াশা আশ্রয় নিয়েছে আজ দুই ঠোঁটে ওষ্ঠরঞ্জনী হয়ে ।
এসো- দিন হই ,রাত হই, না হয় দুপুর ,
দেখা হোক, না হোক বাজুক নূপুর ।
ক্ষনে ক্ষনে এসেছে বরষা , এ নব বৈশাখে ।
তবু বসন্ত মনে মনে, ঝরে যাক, ঝরে যাক
সব বুড়ো অমলতাস, বিছিয়ে থাকুক সমস্ত শরীর জুড়ে, যেমন করে ঘাসেরা মাটিকে বিছায় , আঁকড়ে ধরে , জড়িয়ে থাকে, ছড়িয়ে রাখে বুনো ফুলের গন্ধের মতো বেড়ার ধারে, ঝোপেঝাড়ে ,অন্ধকারে ফুটে থাকে ড্যাবডেবিয়ে পড়ন্ত সন্ধ্যায় ।
অথবা মাথার খোঁপার পরে আদুরে ললনার মত ।
দেখা হোক, না হোক বাজুক নূপুর ।
ক্ষনে ক্ষনে এসেছে বরষা , এ নব বৈশাখে ।
তবু বসন্ত মনে মনে, ঝরে যাক, ঝরে যাক
সব বুড়ো অমলতাস, বিছিয়ে থাকুক সমস্ত শরীর জুড়ে, যেমন করে ঘাসেরা মাটিকে বিছায় , আঁকড়ে ধরে , জড়িয়ে থাকে, ছড়িয়ে রাখে বুনো ফুলের গন্ধের মতো বেড়ার ধারে, ঝোপেঝাড়ে ,অন্ধকারে ফুটে থাকে ড্যাবডেবিয়ে পড়ন্ত সন্ধ্যায় ।
অথবা মাথার খোঁপার পরে আদুরে ললনার মত ।
রাত্রি হতে চাও ?
দিলাম একটা নীল পৃথিবী যেখানে পশু চরে মানুষের মত, আর মানুষ হাততালি দেয় , অসহায় শব্দ তার ।
দিলাম একটা নীল পৃথিবী যেখানে পশু চরে মানুষের মত, আর মানুষ হাততালি দেয় , অসহায় শব্দ তার ।
এসো একসাথে থাকি , দূরত্বে থাকি ,
অনন্ত ঠোঁটের অথবা জঙ্ঘারামের ফাঁকে ফাঁকে কলমীলতাদের সাজিয়ে রেখে বলি -
জল হও নদী , জল হও ।
গড়িয়ে পড়, ছড়িয়ে পড়, সর্বাঙ্গ সিঞ্চিত কর ,
তারপর ধৌত করে দিয়ে যাও
ভোরের শুকতারার মত জ্বলজ্বলে করে,
অনন্ত ঠোঁটের অথবা জঙ্ঘারামের ফাঁকে ফাঁকে কলমীলতাদের সাজিয়ে রেখে বলি -
জল হও নদী , জল হও ।
গড়িয়ে পড়, ছড়িয়ে পড়, সর্বাঙ্গ সিঞ্চিত কর ,
তারপর ধৌত করে দিয়ে যাও
ভোরের শুকতারার মত জ্বলজ্বলে করে,
শঙ্খবেলার মত সেই ভোরের বালুকাবেলায়,
যেখানে ইলিশেরা লাফ দেয় জীবনের আশ্চর্য পতন , সেই ভোর, সেই পোয়াতি ভোর ,
ধীরে ধীরে বিকশিত হোক আবার জীবনে ।
যেখানে ইলিশেরা লাফ দেয় জীবনের আশ্চর্য পতন , সেই ভোর, সেই পোয়াতি ভোর ,
ধীরে ধীরে বিকশিত হোক আবার জীবনে ।
অর্পিতা চৌধুরী
দুর্দান্ত!
ReplyDelete