যোজন যোজন পারে উত্থিত স্বপ্নের মত নিবিষ্ট হয়ে আছো,
আমি প্রস্তরীভূত
এও কি সম্ভব? এও কি সম্ভব বুদ্ধ?
একি বোধ না বোধি?
সহস্র বর্ষ ব্যাপী আকাঙ্খিত ক্ষণ
আর আমি দাঁড়িয়ে রয়েছি স্থানুবৎ, হতচেতন।
অঝোরে ঝরছে বারিধারা, ভিজে যাচ্ছি আমি।
একে একে সিদ্ধাচার্য রা বুলিয়ে দিচ্ছে তাদের ক্ষমাশীল হাত পরম মমতায় শিরশিরে বাতাসের মত।
হিমশীতল মৃত্তিকা থেকে শেষ হিমায়িত কনা চারিত হচ্ছে আমার রন্ধ্রে রন্ধ্রে ,এ যেন কোনো নৈসর্গিক ছেলেখেলা, আমি ডোম্বি, শবর কুঁড়িয়া তোমার মাথায় রাখছি পাদপ্রদীপের হাত সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে, সমস্ত ভরসা উজাড় করে দিচ্ছি তোমার মাথায়, অথচ তুমি নির্লিপ্ত, একইভাবে বসে আছো।
যেন তুমি জানতে আমি যাবো- আমি যাবো তোমার কাছে, তাই পরম নিশ্চিন্ত তুমি পরম কৌতুক ভরে কৌতুকে দাও তা ।
কখন পাইনের পথে, কখন একসমুদ্র বুকে, কখন পাথরের রুক্ষতায় অথবা ঝর্নার কোলে ।
এক সমুদ্র আঁচল পেতে জড়িয়ে রাখো ফার্নের মত আষ্টেপৃষ্ঠে, তোমার সুগন্ধিত ঠোঁট বিশ্বাস জাগায়, তোমার বৌদ্ধিকতায় আশ্বস্ত হই।
এভাবেও বেঁচে থাকা যায়, যায় কি?
সব স্বপ্নেরা একসাথে জড়ো হলে আর পাওয়ার কি বাকি থাকে জীবনে!
একি এক জন্মের মৃত্যু নাকি অন্তিম থেকে শুরু?
জিজ্ঞাসা জীবনে করাঘাত করে বারবার।
মৃত্যুকে লুটেপুটে খেতে চাই অফুরান জীবন জিজ্ঞাসায়।
এসো নতুন করে আবার কিছু স্বপ্ন সাজায়
অলৌকিক বাস্তবের আশায়।
অর্পিতা

দারুন!
ReplyDeleteধন্যবাদ
Deleteসুন্দর
ReplyDelete💓💓
ReplyDeleteএভাবেও বেঁচে থাকা যায়? যায় কি?
ReplyDelete