এমন যদি হোত
অনেক কিছু ইচ্ছে করে,
ঠিক যেমন করে সেদিন করতো,
বৃষ্টি ঝরছে , ঠিক এমনি করেই ,
একটাই বর্ষাতি, অথচ একা ছাড়বে না,
কাটা মুন্ড হাত পা খোলার মত বর্ষাতিটা ভাগ করে নিয়েছি, আর বৃষ্টিটাও।
তারপর কখনো বা বৃষ্টি এসে ছুঁয়ে যাচ্ছে ,
পাহাড় থেকে নদীকে, নদী থেকে পাহাড়ে
আষাঢ়স্য প্রথম ঝরনের কালে, অপাংক্তেয় শাল ফুলে সাজিয়ে দিয়েছো খোড়ো ছাউনি,
লজ্জা পাচ্ছে কালিদাস,
পর্দা টাঙিয়েছে অঝোর বৃষ্টি,
ঠোঁটেও নেমে আসছে বৃষ্টির ছাঁট।
ঠিক সেই সময়,ঝোড়ো কাকের দল ঢুকলো খোড়ো চালায়,
জোড় শালিকের বেজায় বিরক্তি।
আবার, আবার ছুটে চলা, কখনো একটু ছুঁয়ে, কখনো অঝোর ভিজে।
একজনের গন্তব্য সামনে , আর একজনের দুর, অথচ সবই যেন অবান্তর,
শুধু ছুটে চলাটাই স্থির ।
সেদিনটা আবার খুব ছুঁতে ইচ্ছে করছে -
সেই ফ্যাকাসে হাত, ভেজা চোখ, নীরব কথা, অঝোর বোবা বৃষ্টি,
আর একটা অস্পষ্ট একগুঁয়ে মানুষ।
সমস্ত বিরহকে জয় করেই মিলনেরা জয়ী হয় ঠিক বিরহী অশ্রুর মত।
আবার বৃষ্টি নেমেছে রাতভোর বৃষ্টি,
সব ধুয়ে মুছে নিকোনো উঠোন ,
অথচ ,স্মৃতিরা ঝুল কালি মেখে দাঁড়িয়ে আছে।
ওদের বৃষ্টি লাগে না, ওদের বৃষ্টি হয় না,
কাঠফাটা রোদ্দুরেই ওদের বাস।
আবার বৃষ্টি নামছে, মন কেমনের বৃষ্টি।
No comments:
Post a Comment